মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

খেলাধুলা ও বিনোদন

ঝিনাইদহের ক্রীড়াঙ্গন :

       ঝিনাইদহের জনগণ ক্রীড়ামোদী। বিশেষকরে ফুটবল এবং ক্রিকেটের প্রতি জনগণের আগ্রহ অপরিসীম। যে কোন ধরনের খেলায় ঝিনাইদহের দর্শক ষ্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে আনন্দ উচ্ছাস প্রকাশ করে এবং খেলা উপভোগ করে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দিবসের স্কুল কলেজের  ছাত্র/ছাত্রী সহ সর্বসত্মরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের অধীনে ৩৬ টি ফেডারেশনের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে নিয়মিত/ অনিয়মিতভাবে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ভলিবল, কাবাডি, এ্যাথলেটিক্স, হকি, দাবা, কারাতে, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন ও খো-খো খেলা পরিচালিত হয়ে আসছে । এছাড়া ঝিনাইদহে শুটিং ক্লাবের মাধ্যমে প্রতিবছর শুটিং অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে ।ক্রীড়া ÿÿত্রে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে ঝিনাইদহ জেলা ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলায় বিশেষ অবদান রেখে আসছে।

ক্রিকেটে ঝিনাইদহ জেলার কৃতিত্ব:

 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার আল আমিন:

ঝিনাইদহের (আরাপপুর চাঁন পাড়া) কৃতি সমত্মান আল আমিন জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন নিয়মিত খেলোয়াড় হিসেবে ইতোমধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন।   ৭০ তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবেইতোমধ্যে গত ২১ অক্টোবর ২০১৩ নিউজিল্যান্ডের বিপÿÿ অভিষেক হয়েছে পেসার আল আমিনের। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলা শুরম্নর আগে তাঁকে টেস্ট ক্যাপ পরিয়ে দেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ শেন জার্গেনসন। বর্তমানে আল আমিন বাংলাদেশ জাতীয় কিকেট দলের ( টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ দলের) একজন নিয়মিত খেলোয়াড়।

জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগতায় ঝিনাইদহ জেলার সাফল্য :

২০১০ সনে জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় ঝিনাইদহ ভূটিয়ারগাতি রসুলপুর আলিম মাদ্রাসার কৃতি ছাত্রী সোনিয়া আক্তার  টুম্পা ১০ টি স্বর্ণপদক পেয়েছে । ২০১১ সালে টুম্পা জাতীয় সাতার প্রতিযোগিতায় ৭টি স্বর্ণপদক পান। ২০১২ সালে জাতীয় মহিলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত সাতার প্রতিযোগিতায় ঝিনাইদহের মহিলা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া ২০১৩ সালে রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অন্যান্য খেলাধুলা :

     ২০১৩ সালের গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাবাডি খেলায় ঝিনাইদহ ফজর আলী বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে। কাবাডি, ভলিবল, দাবা, খো-খো ও হকিতে ঝিনাইদহ জেলার অবস্থান খুবই দৃঢ়। এছাড়া প্রমিলা ক্রিকেটের একটি দলও রয়েছে ঝিনাইদহ জেলায়। তৃণমূল পর্যায় থেকে জেলা পর্যায় পর্যমত্ম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন, প্রশিÿণ এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য খেলোয়াড় তৈরীতে জেলা ক্রীড়া সংস্থা, স্থানীয় বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন অগ্রনী ভূমিকা পালন করে চলেছে। সর্বোপরি অত্র জেলার খেলাধুলার বর্তমান অবস্থা আশাব্যঞ্জক।

 সর্বোপরি অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ জেলায় মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরী করা সম্ভব।

১।এ জেলার বিশেষ উল্লেখযোগ্য খেলার নামঃ ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হকি, হ্যান্ডবল, খো-খো, দাবা, বক্সিং, এ্যাথলেটিকস, সাঁতার ইত্যাদি।

২।জেলা সদরে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম ও ৫ উপজেলা সদরে ৫টি খেলার মাঠ আছে।

৩।বাৎসরিক খেলা অনুষ্ঠানের তালিকাঃ ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল, দাবা, সাঁতার ইত্যাদি।

৪।খো-খো ও প্রমীলা ক্রিকেট খেলা ২০০৮ সাল থেকে প্রচলন হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য খেলা অনেক আগে থেকে ধারাবহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

 

ঝিনাইদহ জেলায় বিনোদনের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি আছে-নিম্নে সেগুলো সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো-

 

ঝংকার শিল্পী গোষ্ঠীঃ১৯৮৪ সালে ঝংকার শিল্পী গোষ্ঠীর আত্মপ্রকাশ । ঝঙ্কার এ পর্যন্তচল্লিশটিরওবেশী নাটক প্রযোজনা করেছে। প্রদর্শণী সংখ্যা শতাধিক। শান্তজোয়ার্দার এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক। ঝঙ্কার বাংলাদেশ টেলিভিশনেও নাটক পরিবেশন করেছে।

 

সূর্যোদয় নাট্যগোষ্ঠীঃপাগলাকানাই মোড়ে এর কার্যালয়। ১৯৮৬ সালে সূর্যোদয় নাট্যগোষ্ঠির আত্মপ্রকাশ। বিশটিনাট্য প্রযোজনার মাধ্যমেমোটপ্রদর্শনী সংখ্যা চল্লিশের অধিক। এরপ্রধান পৃষ্ঠপোষক তপন গাঙ্গুলী।

 

ঝিনেদা থিয়েটারঃএ দলটির আত্মপ্রকাশ ১৯৮৬ সালে।দলটি শহর ছাড়াও বিভিন্ন গ্রাম- গঞ্জে নাটক মঞ্চস্থকরে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে।

 

বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীঃ১৯৯৩ সাথে বিবর্তনের আত্মপ্রকাশ। প্রদর্শনী সংখ্যা চল্লিশের উপর। প্রতিষ্ঠাতাসভাপতি রাজু আহম্মেদ মিজান।পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বাবু কনক কান্তিদাস ও নারায়ন নন্দী।

 

বাংলাদেশ গণশিল্পীসংস্থা, ঝিনাইদহ শাখাঃ১৯৯৫ সাথে সংস্থারঝিনাইদহ শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়।সংস্থাটিনাটকছাড়াও বিভিন্নসাংস্কৃতিককর্মকান্ডে সম্পৃক্তথাকে। আব্দুস সালামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, ঝিনাইদহ শাখা এগিয়ে চলছে।

 

অংকুর নাট্য একাডেমীঃ১৯৯৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী মাহান ভাষা দিবসে অঙ্কুর নাট্য একাডেমীর যাত্রা শুরু। বয়সে খুব নবীন হলেও ইতোমধ্যে দলটিবাংলাদেশে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সদস্যপদ লাভ করতে সমর্থ হয়েছে। এ ছাড়া অঙ্কুর নাট্য একাডেমী বাংলাদেশ টেলিভশনেমঞ্চ নাটক প্রদর্শনীতেখুলনা বিভাগেঅগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেএবং প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করছে। অঙ্কুরপ্রযোজিত"বিচার এমন' নাটকটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। এর সম্পাদক নাজিম উদ্দিন জুলিয়াস।

 

বিহঙ্গ নাট্যগোষ্ঠিঃ১৯৯৫ সাথে বিহঙ্গের আত্মপ্রকাশ। এর চারটি নাটক এ পর্যন্ত২৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে। নেতৃত্ব দানকরেছেন শাহীনুর আলম লিটন।

 

শিশু কিশোর নাট্যদলঃঝিনাইদহের একমাত্র শিশু কিশোর নাট্যচর্চাপ্রতিষ্ঠান। এর আত্মপ্রকাশ ১৯৯৫ সালে। নারায়ন চন্দ্র নন্দীএবং মোঃনাজিম উদ্দিন জুলিয়াস শিশুকিশোর নাট্যদলের যথাক্রমেসভাপতি ও সম্পাদক। এরা বারটিরও অধিক নাটক মঞ্চসহ করেছে। ঝিনাইদহ শিশু কিশোর নাট্যদল বাংলা পিপলস থিয়েটারএসোসিয়েশনের তালিকাভূক্তনাট্যপ্রতিষ্ঠান।

১।দীপায়ন একাডেমী, ঝিনাইদহ।

২।আনন্দ সাংস্কৃতিকসংগঠন, ঝিনাইদহ।

৩।শিল্পী সংঘ ইনিষ্টিটিউট, ঝিনাই|দহ।

৪।সুর নিকেতন, ঝিনাইদহ।

৫।বাউল পরিষদ, ঝিনাইদহ।

৬।চারণ সাংস্কৃতিক একাডেমী, ঝিনাইদহ।

৭।হিউম্যানিজম , ঝিনাইদহ।

উপরোক্তসাংস্কৃতিকসংগঠন সমূহ ঝিনাইদহের শিল্প, সাহিত্য ওসংস্কৃতির ক্ষেত্রেবিশেষ ভূমিকারেখেছে। রাষ্ট্রিয় ও জাতীয় অনুষ্ঠানাদিতে অংশ গ্রহণ করে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।

 

চলচিত্র বিষয়কঃ

ঝিনাইদহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশেষ ব্যক্তিত্বজনাব আমির হোসেন মালিতারপরিচালিত ছবি"যে আগুনে পুড়ি' নির্মাণ করে যথেষ্ট প্রশংসিতহয়েছেন। উক্তচলচিত্রেপ্রথম অভিনয় শিল্পী হিসেবে এ্যাডঃ মোকাররম হোসেন টুলু অভিনয় করেন।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)